পরমাণু ১ঃ যাওয়া

“বলি, অমন থুম মুখে বসে থাকলে চলবে? কোথাও যাওয়া-টাওয়া হবে না ?” সূর্য একটু বিরক্ত হয়েই বললো।

“হ্যাঁ, হ্যাঁ, যাওয়া যাক।“ পোঁ ধরলো সমীরণ। “অনেকদিন বেরনো হয় নি। চলো, লেটস গো!!“

নীল কিছু বললো না। শুধু হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে রইলো।

মেয়েটা জানলায় বসে আছে চুপ করে। তাকে ডাকছে বৃষ্টি-থামার-পরের ঝলমলে রোদ্দুর, সোহাগ মাখা ঠাণ্ডা-ভিজে হাওয়া আর সাদা মেঘের পিছনে থাকা সহাস্য নীলাকাশ। এসো – বেরিয়ে পড়ো, শিগগীর।

মেয়েটারও মন ছটফট করছে। ও ফিরে এলেই বেরিয়ে পড়বে। বেশী দূরে কিছু নয়, এই আশেপাশেই কোথাও। একদুদিনের ছোট্ট বেড়ানো আর কি। এই অবস্থায় ডাক্তার বেশী ঘোরাঘুরি করতে বারণ করেছে। আর মাত্র দুমাস বাকি যে!

কিন্তু মুশকিল হয়েছে কি – কাল বিকেল থেকে ওর কোন খবর নেই। এদিকে নিজে খবরের কাগজেই কাজ করে! কোথাকার কোন পাঞ্জাবী সাধুবাবার বিরূদ্ধে চলা মামলার রায় শুনতে গিয়েছিলো। কাগজে লিখবে বলে। সেই থেকে লা পাত্তা।

কোনো মানে হয় !!