পার্বত্য-মরুর দেশে আমরা – ৪

চতুর্থ পর্বঃ কি-কিব্বের আর কিঞ্চিৎ পাতিহাঁস

আগেরদিন বিকেলে আমাদেরকে হোটেলে নামাবার সময়ই আমাদের রথচালক সোনু বলে দিয়েছিলো “কাল সকালে তাড়াহুড়ো করবেন না। বিশ্রাম নেবেন ঠিকমতো। আমরা বেরোবো বেলা দশটায় – একটু দেরী হলেও ক্ষতি নেই।“ আবার সন্ধ্যেবেলা “ইনক্রেডিবল স্পিতি”র কাজা অফিসের “পূজা” এসে খোঁজ নিয়ে গেলো আমরা ঠিকমতো পৌঁছেছি কিনা আর পইপই করে বলে গেলো “বিশ্রাম নিন। অতিরিক্ত স্ট্রেন দেবেন না নিজের ওপর।“

বিশ্রাম নেবার এতো পেড়াপেড়ি যখন, একটু নাহয় গড়িয়েই নেওয়া যাক। পরদিন সকালবেলায় তাই বেশ রয়েবসে তৈরি হলাম আমরা। তারপর একসময় লাঞ্চরুমে গমন – ব্রেকফাস্ট।

আমাদের হোটেল শাক্য এবোড এই অঞ্চলের সবচেয়ে পুরনো হোটেল। ঘরগুলো খুব বড়ো নয়, তবে বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। এদের লাঞ্চরুমটা দেখবার মতো। বিশাল হলঘর, তার আধখানা জুড়ে সোফা আর তার সামনের টেবিলে তিব্বতী সংস্কৃতি – ইতিহাস – ধর্ম সংক্রান্ত অজস্র বই ছড়ানো। মানে সকালে আর রাতে খাওয়া শুধু নয়, এটা একটা আড্ডা দেবার জায়গাও বটে। তার ওপর এই হোটেলের এই একটিমাত্র ঘরে অন্তর্জালের আগমন ঘটে, এদের ওয়াই-ফাই এর হাত ধরে। কাজেই যারা বইটই পছন্দ করে না, তারাও এখানে খাবার কিছুটা আগে থেকেই এসে বসে পড়েন। বেড়াতে এসে দিনান্তে ফেবুতে দুটি সেলফি পোস্ট না করলে যে ভদ্রসমাজে মুখ দেখানো যাবে না! হোটেলের ওয়েটারদেরও সুবিধে, একটু খাবার দিতে দেরী হলেও কেউ কিচ্ছুটি মনে করে না।

ব্রেকফাস্টে দেখলাম এলাহি আয়োজন। যাকে বলে “স্পয়েল্ট ফর চয়েসেজ ” আর কি। আলু পরোটা-পুরি ভাজি-মসালা অমলেটের পাশেই বিরাজ করছেন নিউটেলা প্যানকেক বা স্প্যানিশ অমলেটের মতো কেতাওয়ালা সব সুখাদ্য। আছে পরিজ-ম্যুসলি-কর্ণফ্লেক্সরা, সংগে ফলমূল। আমরা ওই সানি সাইড আপ-পরোটা-অমলেট এসব নিলাম। গিন্নি স্বাস্থ্যসচেতন, তাই তিনি নিলেন তিব্বতী “সাম্পা” – বার্লির আটা শুকনো কড়াইয়ে ভাজা, তাতে একটু মধু আর দুধ দেওয়া। জব্বর খেতে বস্তুটা। পরে শুনলাম এটা নাকি আবার তিব্বতী চা, মাখন আর নুন দিয়েও খাওয়া যায় – আমাদের নোনতা সুজির মতো কিছু একটা হবে আর কি। এই দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে বলে দিলুম যে ডিনারে আমাদের যেন বিশুদ্ধ তিব্বতী খানা দেওয়া হয়।

তা – আপনাদের খাওয়াদাওয়া হয়েছে তো ? একদম চাঙ্গা ? তবে এককাপ চা খেতে খেতে একটু শুনে নিন তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের ইতিহাস। ভয় নেই, ইতিহাসে পাতিহাঁস করবো না, সাঁটে সারবো। বেশী বলতে গেলে তো আমার জ্ঞানভাণ্ডারের তালপুকুরে যে আসলে ঘটি ডোবে না, সেটা সবাই ধরে ফেলবে যে !!

তিব্বত জায়গাটা একরাশ ছোট গোষ্ঠপতির হাতে ছিলো। সপ্তম শতাব্দীতে সংতসেন গাম্পো নামের এক রাজা তিব্বতকে একটি রাজত্ব হিসেবে দাঁড় করান। অন্যান্য ছোট রাজা বা গোষ্ঠপতিদের জয় করে তাদের রাজত্ব নিজের রাজত্বে জুড়ে নেন তিনি। এবং জয় করেন তিব্বতের জাংজুং নামক অতি প্রাচীন এলাকা –তিব্বতী সংস্কৃতি-ধর্ম-ইতিহাসের আঁতুড়ঘর আর কি। এই জাংজুং এলাকা হলো আজকের লাদাখ-লাহুল-স্পিতি-গিলগিট-বালটিস্থান – এই অঞ্চল। আজো এই অঞ্চলে ইতিহাসের অনেক হারানো পৃষ্ঠা, মানব সভ্যতার মিসিং লিঙ্ক লুকিয়ে আছে।

যাই হোক, এই সংতসেন গাম্পো রাজ্য বিস্তার করার সঙ্গে সঙ্গে আইন আদালত তৈরি করলেন, রাজ্য শাসনের নিয়ম কানুন তৈরি করলেন আর তিব্বতী ভাষাটির একটি লিখিত রূপ সৃষ্টি করলেন। মানে একেবারে দেশ জুড়ে সুশাসনের সুবাতাস বইয়ে দিলেন আর কি। তাঁর বদান্যতায় বেশ কিছু বৌদ্ধ সুত্র তিব্বতী ভাষায় অনূদিত হয়। গুটিগুটি পায়ে তিব্বত রাজ্যে বৌদ্ধ ধর্ম পা রাখলো।

সংতসেন গাম্পোর রাজত্বকালের প্রায় দেড়শো বছর বাদে আরেক জবরদস্ত রাজা এলেন – নাম – ট্রাইসঙ দেৎসেন (যাই বলুন, তিব্বতীদের নামগুলো ঠিক আমাদের কুসুমকোমল বাংলাভাষার জন্যে তৈরি হয় নি। কি ভিরকুটে নাম রে বাপু!)। দেৎসেন ভারতবর্ষ থেকে নানান বৌদ্ধ পণ্ডিতদের নিয়ে এলেন তিব্বতে; তাদের প্রভাবে বৌদ্ধ ধর্ম ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে একসময় তিব্বতের রাষ্ট্রধর্ম হয়ে উঠলো।

দেৎসেন ভারতবর্ষ থেকে যে সব বৌদ্ধ পণ্ডিতদের তিব্বতে এনেছিলেন, তার মধ্যে সবচেয়ে নামজাদা হলেন পদ্মসম্ভবা – যাকে তিব্বতীরা রিমপো-চে নামেও ডেকে থাকেন। ইনি তিব্বতের প্রাচীনতম বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পত্তন করেন, যার নাম “নিংমা”। সাময়ে নামের একটা জায়গায় ইনিই প্রথম তিব্বতী গুম্ফাও তৈরি করেন।

এই পদ্মসম্ভবা বা রিমপো-চে কে নিয়ে কিংবদন্তীর ছড়াছড়ি। কারুর কারুর মতে ইনি স্বয়ং “দ্বিতীয় বুদ্ধ”, কারুর কারুর মতে ইনিই অমিতাভ – বুদ্ধের এক রূপ। তাঁকে নিয়ে এতো গল্পকথা রয়েছে যে সত্য আর কিংবদন্তীকে আলাদা করা প্রায় অসম্ভব। তবে যা পড়েছি, তাতে এই অব্দি বলা যায় যে পদ্মসম্ভবা সত্যিই তিব্বতে বৌদ্ধ ধর্মের একটি শাখাকে নিয়ে এসেছিলেন। প্রধানত মহায়ন বৌদ্ধ রীতি হলেও এই শাখাটিতে মিশে আছে অনেক তান্ত্রিক আচার-বিচার মেশানো বৌদ্ধ রীতির নাম হলো “বজ্রায়ন”। এই তান্ত্রিক-ঘেঁষা বৌদ্ধ রীতিটা তিব্বতীদের বেশ মনে ধরলো, কারণ এর সঙ্গে তাদের প্রাচীন ধর্ম “বন” এর বেশ মিল আছে। পদ্মসম্ভবা বা রিংপো-চে তাঁর ব্যক্তিত্বের জোরে বৌদ্ধধর্মকে জনপ্রিয় করে তুললেন এবং একসময় “বন” ধর্মটিকে সম্পূর্ণই ধামাচাপা দিয়ে দিলেন। প্রমাণ করে দিলেন যে “বন” এক অতি বর্বর ধর্মচিন্তা এবং এর কোন স্থান নেই আমাদের সমাজে। “বন” ধর্মের প্রবক্তারা হয় বজ্রায়ন-ঘেঁষা বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করলেন, অথবা জনসমাজের থেকে দূরে চলে গেলেন।

নবম শতাব্দীতে তিব্বতের রাজত্ব ভেঙে পড়ে, আর তার সঙ্গে সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মও। জানাই ছিলো – কবি তো কবেই বলে গেছেন “একদিন নেবে তারে চিনে।“ – তা সেই চিনেরা এসে তিব্বতটা কব্জা করে বসলো। এই ভাবে আবার প্রায় দেড়শো বছর কেটে যাবার পর এর পুনরুত্থান ঘটে – এক অর্থে একে তিব্বতী রেনেসাঁ বলা যায়। এই রেনেসাঁ আসে রিনচেন জামবো বলে এক রাজার আমলে। এই রাজা রিনচেন জামবো আবার বেশ ধার্মিক ছিলেন – অজস্র গুম্ফা তৈরী করেন, ভারতবর্ষ থেকে নিয়ে আসেন বৌদ্ধ পণ্ডিতদের। তার মধ্যে যার নাম আমরা সবাই জানি, তিনি হলেন অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান – বিক্রমশিলা বিদ্যালয়ের প্রখর বিদ্বান – যিনি তিব্বতী বৌদ্ধ ধর্মে পাল-যুগের মহায়ন বৌদ্ধ ধর্মের ছোঁয়া এনে দিলেন। তৈরি হলো কদম সম্প্রদায়। পরে এই বিক্রমশিলা “ঘরানা”র বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হাতেই থেকে আরো তিনটি সম্প্রদায় তৈরি হয় – তাদের নাম কাগ্য, শাক্য এবং গেলুগ। কদম সম্প্রদায় এদেরই একটির সঙ্গে মিশে যায় (কোনটা জিজ্ঞ্যেস করবেন না – এদের মধ্যে বেজায় ঝগড়া!)। কাজেই এখন চারটি বৌদ্ধ সঙ্ঘ আছে – নিংমা, কাগ্য, শাক্য এবং গেলুগ।

ও মশাই – শুয়ে পড়লেন নাকি ? উঠুন, উঠুন – বেরোতে হবে তো !! আমরা যাচ্ছি “কিই” মনাস্ট্রি দেখতে যাচ্ছি – কাজার খুব কাছে। এটা তৈরি হয়েছিলো এগারো শতাব্দীতে, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের এক ছাত্রের হাতে – কদম সম্প্রদায়ের গুম্ফা হিসেবে। তখন এটি ছিলো রামরিকে – কাজা পৌঁছোবার আগে যে মোটামুটি বড়ো গ্রামটা পেলাম, সেইখানে। যেটা চোদ্দশো শতাব্দীতে শাক্য সঙ্ঘের সাধুরা এটি তছনছ করে এই নামের নতুন একটি গুম্ফাটি তাঁর বর্তমান জায়গায় বানায়। তারপর আবার গেলুগ সঙ্ঘের সাধুরা সতেরোশো শতাব্দীতে শাক্যদের হটিয়ে দিয়ে নিজেরা এটিকে বেশ আপন করে নেয়। সেই থেকে এটা গেলুগ সঙ্ঘের দায়িত্বে। একুশ শতকের শুরুতে বর্তমান দালাই লামা এসে করেন।

কিই মনাস্ট্রিটা দেখে প্রথমটায় এটাকে একটা দুর্গ বলে ভুল হবে। ইয়া উঁচু প্রাচীর, ঢালু রাস্তা ঘুরে ঘুরে ওপরে উঠেছে – দেখলে মনে হয় ঘোড়া বা হাতী যাতায়তের জন্য কিম্বা নিদেনপক্ষে ছোট কামান নিয়ে ওঠা নামার জন্যে। সেরকম কিছু কোনদিন হয়েছে বলে তো শুনি নি (যদিও এই কিই মনাস্ট্রি সতেরো শতকের পরেও বারতিনেক বিজিত ও লুণ্ঠিত হয়েছে)। চরাই ভেঙে উঠে, মনাস্ট্রির গেট পেরোলেই চোখে পড়ে লম্বা বারান্দা আর সারিসারি জপস্তম্ভ। কিই মনাস্ট্রির তিনটি তলা – তার মধ্যে একটি তলার দেয়ালে রয়েছে অসাধারণ সব ম্যুরালস আর থানকা। দুঃখের বিষয় ছবি তোলা একেবারেই বারণ এবং ভেতরে আলোও একটু কম।

04 Key Monastry

এই তিনতলা মণাস্ট্রিকে বলে পাসাদা স্টাইল – এটা এসেছে চিনেদের থেকে। এর দ্বিতলে আছে একটি চাতাল, যেখানে একটি তাম্রপাত্রে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বলছে বহুবছর ধরে – যে সব তিব্বতীরা চিনে সৈন্যবাহিনীর আক্রমণে মারা যায়, তার স্মৃতিতে। মনাস্ট্রির ছাত থেকে স্পিতি নদীর উপত্যকাটা দেখায় ভারী সুন্দর – দিগন্তঅবদি রুক্ষ পাহাড় আর তার মাঝখানে বয়ে চলা একচিলতে শীর্ণ স্পিতি নদী।

04 From Kye Monastry.jpg

04 Kye Monastry Flame

কিই মনাস্ট্রি লামাদের একটি বড়োসড়ো বিদ্যালয়ও বটে – প্রায় তিনশো লামা পড়ে এখানে। এই মনাস্ট্রির প্রধান লামার নাম রিনচেন নামগ্যাল, বয়েস ষোল ! ইনি নাকি কাচেন দুগ্যাল নামক এক অতি প্রাচীন সুপণ্ডিত লামার পুনর্জন্ম। সার্টিফায়েড বাই নান আদার দ্যান হিজ হোলিনেস – দালাই লামা, ইন দ্য ইয়ার ২০১১। তখন আমাদের রিনচেনবাবুর বয়েস দশ। কি বুঝলেন? মনে পড়লো জিগমে ওয়াংচুক নামের এক আট বছরের বালককে ২০১৩ সালে গালপা লোরেপা লামার পুনর্জন্ম বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিলো । শুধু তাই নয়, পণ্ডিতরা দিব্যচক্ষে দেখে ফেলেছেন যে জিগমে ওয়াংচুক নাকি আবার কালে কালে হয়ে উঠবেন পরবর্তী রিমপো চে। রিমপো চে কে, সেটা আশা করি এর মধ্যেই ভুলে মেরে দেন নি। মানে এই লামাদের মধ্যে চাইল্ড প্রটিজিদের ছড়াছড়ি আর কি।

কিই মনাস্ট্রি থেকে আমরা গেলাম ১৪০০০ ফুট উচ্চতায় একটা ছোট্ট গ্রাম কিব্বের। এই বর্ণহীন খয়েরির মাঝখানে একটুকরো সবুজ। শুনলাম এখানে অল্প চাষবাস হয় – মূলত কড়াইশুঁটি আর বার্লি (যা আজ সকালে খেলুম আর কি)। গ্রামের বাসিন্দার সংখ্যা তিনশোর একটু বেশী – সোনু সগর্বে বললো “বেশ বড়ো গ্রাম।“

কিব্বের এবং এই স্পিতির এইরকম আরো অনেক গ্রামেই আলাদা করে দেখবার কিছু নেই। করবার মতোও কিছু নেই। শুধু এখানকার নির্জনটা আর ভিজে মেঘ গায়ে মেখে একা দাঁড়িয়ে থাকা হয়তো হালকা ঝিরঝির এসে ভিজিয়ে দেবে আপনাকে, তারপরেই শনশনে হাওয়া ছোবল মেরে যাবে অকস্মাৎ । তখন চায়ের খোঁজ করতে আশেপাশের ছোট্ট রেস্তোরাঁর ভিতরে ছুটবেন তড়িঘড়ি – সাহস করে তিব্বতী মাখন দেওয়া নোনতা চাও হয়তো খেয়ে নেবেন। খেতে খেতে দেখবেন জানলার কাঁচে কয়েকফোঁটা চোখের জল এসে পড়লো, তারপর মিলিয়ে গেল মন-খারাপের কুয়াশায়।

বেলা পড়ে এলো। চলুন, বাড়ির দিকে ফেরা যাক। রাতে আবার তিব্বতী খানা – তবে সে গল্প আজ নয়, কালকের জন্যে তোলা থাক। আপাতত – আলবিদা।

(চলবে)

————–

উত্তরকথন

কি আর কিব্বের ঘুরতে বেশী সময় লাগে না। যদি তাড়াতাড়ি ফিরে আসেন, তবে বিকেলে রামরিকের দিকে লম্বা হাঁটা লাগাতে পারেন।

ফেরবার সময় আমাদের সোনুবাবুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। বাইশ কিলোমিটার পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টিসিক্ত হাওয়ায় হাঁটতে হবে, এই আশঙ্কায় আমাদের শহুরে ফিনফিনে রোম্যানটিসিজম একদম ছেঁড়া ঘুড়ির মতো লটকে পড়েছিলো। ভাগ্যিস ব্যাপার বেশীদূর গড়ায় নি, তাই মানে মানে গাড়িতে চড়ে ঘরের ছেলে ঘরে (মানে হোটেলে) ফিরেছিল!

কিই মনাস্ট্রির ছাতে উঠে ঠাণ্ডা হাওয়ায় হাড়ে বেশ হিহি কাঁপন ধরেছিলো। নামার পথে ওই মনাস্ট্রির লামারা আমাদেরকে ডেকে নিয়ে গেলেন তাদের রান্নাঘরে আর অতি চমৎকার চা খাওয়ালেন। ওই প্রাচীন রান্নাঘর, তাতে আলো কেবল ওপরের স্কাইলাইট দিয়ে, সেখানে বসে গরম গরম চা-টা বড্ডো ভালো লেগেছিলো। ছবি তোলা এখানে বারণ ছিলো না, কিন্তু ওই এক শতাব্দী বা তার চেয়েও পুরোনো পরিবেশ আর ওই লামাদের অনাড়ম্বর সেবার ছবি তুলতে গেলে অন্য জাতের ফটোগ্রাফার হতে হয়।

3 Comments

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s